ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাশনে কৃষি ব্যাংককে ঘিরে ‘জাল নোট’ বিভ্রান্তি, প্রতিবাদে সরব শাখা ব্যবস্থাপক

মোঃ মামুন হোসেন, ভোলা প্রতিনিধিঃ

ভোলার চরফ্যাশনের জনতা বাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একটি শাখাকে ঘিরে সম্প্রতি উঠেছে বিতর্কের ঝড়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে ‘জাল নোট’–সংক্রান্ত নানা অপপ্রচার। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে—সবই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন।

সম্প্রতি ব্যাংকটিতে একজন ঋণগ্রহীতা সেবা নিতে গেলে তার কাছে থাকা পাঁচটি মুদ্রা নোট জাল হিসেবে ধরা পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হতেই একটি মহল সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়, যেন জাল নোটগুলো ওই ব্যাংক থেকেই এসেছে।

তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, এমনকি ঘটনার সময় উপস্থিত গ্রাহকেরাও একবাক্যে বলেন—জাল নোটগুলোর সঙ্গে ব্যাংকের কোনও সংযোগ নেই।

ব্যাংকের জনতা বাজার শাখার ব্যবস্থাপক স্পষ্ট ভাষায় বলেন,

> “ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন। অথচ একটি মহল তা বিকৃতভাবে ছড়িয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।”

 

তিনি আরও বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো মানে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা।
এমন অপপ্রচারের বিষয়ে ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ব্যবস্থাপক শেষ পর্যন্ত সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান,

“গুজবে কান দেবেন না। ব্যাংকের বিরুদ্ধে এমন ভিত্তিহীন প্রচারণা আইনের আওতায় আনা হবে।”

 

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও বলছে, ব্যাংক–সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ যাচাই-বাছাই ছাড়া ছড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত। নইলে এতে যেমন গ্রাহকের আস্থা বিঘ্নিত হয়, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রতিষ্ঠানের সম্মান।

About Author Information

Md. Riajul Islam

চরফ্যাশনে কৃষি ব্যাংককে ঘিরে ‘জাল নোট’ বিভ্রান্তি, প্রতিবাদে সরব শাখা ব্যবস্থাপক

প্রকাশিত : ১১:১১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

মোঃ মামুন হোসেন, ভোলা প্রতিনিধিঃ

ভোলার চরফ্যাশনের জনতা বাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একটি শাখাকে ঘিরে সম্প্রতি উঠেছে বিতর্কের ঝড়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে ‘জাল নোট’–সংক্রান্ত নানা অপপ্রচার। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে—সবই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন।

সম্প্রতি ব্যাংকটিতে একজন ঋণগ্রহীতা সেবা নিতে গেলে তার কাছে থাকা পাঁচটি মুদ্রা নোট জাল হিসেবে ধরা পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হতেই একটি মহল সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়, যেন জাল নোটগুলো ওই ব্যাংক থেকেই এসেছে।

তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, এমনকি ঘটনার সময় উপস্থিত গ্রাহকেরাও একবাক্যে বলেন—জাল নোটগুলোর সঙ্গে ব্যাংকের কোনও সংযোগ নেই।

ব্যাংকের জনতা বাজার শাখার ব্যবস্থাপক স্পষ্ট ভাষায় বলেন,

> “ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন। অথচ একটি মহল তা বিকৃতভাবে ছড়িয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।”

 

তিনি আরও বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো মানে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা।
এমন অপপ্রচারের বিষয়ে ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ব্যবস্থাপক শেষ পর্যন্ত সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান,

“গুজবে কান দেবেন না। ব্যাংকের বিরুদ্ধে এমন ভিত্তিহীন প্রচারণা আইনের আওতায় আনা হবে।”

 

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও বলছে, ব্যাংক–সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ যাচাই-বাছাই ছাড়া ছড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত। নইলে এতে যেমন গ্রাহকের আস্থা বিঘ্নিত হয়, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রতিষ্ঠানের সম্মান।

প্রিন্ট করুন :