ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাউফলে ইসলাম গ্রহণ করলেন অর্ণা শীল, নতুন নাম সাদিয়া বেগম

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের বটকাজল গ্রামের তরুণী অর্ণা শীল নিজ ইচ্ছায় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ধর্মান্তরের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে সাদিয়া বেগম।

বর্তমানে সাদিয়া বেগম বরিশাল শহরের দপ্তর রোড এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তার পিতার নাম চিও রঞ্জন শীল এবং মাতার নাম চৈতী শীল।

সাদিয়া জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে অধ্যয়ন ও চিন্তাভাবনার পর আত্মিক শান্তি ও বিশ্বাসের জায়গা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এই ধর্মান্তর সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এতে কোনো ধরনের চাপ, প্ররোচনা বা জোর-জবরদস্তি ছিল না।

ধর্মান্তরের ঘটনাটি স্থানীয় সমাজে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তিনি নিয়মিতভাবে ধর্মীয় জীবনযাপন শুরু করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে নিজ ধর্ম পালনের ও ধর্ম পরিবর্তনের পূর্ণ অধিকার। এ ধরনের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখা এবং ধর্মীয় সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা সমাজের সবার দায়িত্ব।

About Author Information

Md. Riajul Islam

বাউফলে ইসলাম গ্রহণ করলেন অর্ণা শীল, নতুন নাম সাদিয়া বেগম

প্রকাশিত : ০৩:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ মে ২০২৫

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের বটকাজল গ্রামের তরুণী অর্ণা শীল নিজ ইচ্ছায় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ধর্মান্তরের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে সাদিয়া বেগম।

বর্তমানে সাদিয়া বেগম বরিশাল শহরের দপ্তর রোড এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তার পিতার নাম চিও রঞ্জন শীল এবং মাতার নাম চৈতী শীল।

সাদিয়া জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে অধ্যয়ন ও চিন্তাভাবনার পর আত্মিক শান্তি ও বিশ্বাসের জায়গা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এই ধর্মান্তর সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এতে কোনো ধরনের চাপ, প্ররোচনা বা জোর-জবরদস্তি ছিল না।

ধর্মান্তরের ঘটনাটি স্থানীয় সমাজে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তিনি নিয়মিতভাবে ধর্মীয় জীবনযাপন শুরু করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে নিজ ধর্ম পালনের ও ধর্ম পরিবর্তনের পূর্ণ অধিকার। এ ধরনের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখা এবং ধর্মীয় সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা সমাজের সবার দায়িত্ব।

প্রিন্ট করুন :